বাংলার নারী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বাংলার নারী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৩

বাংলায় পূজিত নারীদেবতা - রাধারমণ রায়

গ্রামবাংলায় এখনো লৌকিক দেবতার পুজো এবং ব্রত মেয়েরাই বেশি করে থাকে। মনসা, মঙ্গলচণ্ডী আর লক্ষ্মী পুজোর সময় এটা ভালো মতো চোখে পড়ে ৷ তা ছাড়া অন্যান্য দেব-দেবীর পুজোর জোগাড়-যন্তর মেয়েরাই করে থাকেন। এ থেকে অনুমান করা যায়, নারীর হাতেই বাংলার দেব-দেবীর সৃষ্টি ।

শুধু দেব-দেবী নয়, আদিম বাঙালি সমাজে কৃষিরও আবিষ্কার হয় নারীর হাতে। সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগে বাংলায় মাতৃতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। নারীশাসিত সেই সমাজে নারীদেবতার বহুল প্রচলন শুরু হয়েছিল ব্রতকথা, গাছপুজো, ভূমিপুজো ইত্যাদির মাধ্যমে। তবে সে-সব লৌকিক দেবতার পুজো হত স্থানীয় স্তরে, ভিন্ন ভিন্ন নামে। ধীরে ধীরে সেগুলি মূর্তি লাভ করে, আর এ-সব পুজোর বৃত্তান্ত পুরাণে পুঁথিতে ঠাঁই পেয়ে যায়।


মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০২২

মুক্তি সংগ্রামে বাংলার উপেক্ষিতা নারী - সোনালী দত্ত

তারা অগ্নিযুগের মেয়ে। আগুন নিয়ে খেলেছিলেন। স্বাধীনতার জন্যে বাজি ধরেছিলেন জীবন। তারা বেরিয়ে এসেছিলেন। সংস্কারের গণ্ডি ভেঙে, সামন্ততন্ত্রের অন্ধকার সরিয়ে। তাদের লক্ষ্য ছিল মুক্তি। দেশের সাথে সাথে নিজের অবরুদ্ধ অন্তরাত্মার মুক্তি। তারা আইন অমান্য করেছেন, ব্রিটিশের থানায় উড়িয়ে দিয়েছেন জাতীয় পতাকা। রাইফেল ধরতে তাদের হাত কাঁপেনি। বুক কাঁপেনি ফসলের অধিকারের দাবিতে রাষ্ট্রযন্ত্রের পাঠানাে ঘাতক বাহিনির চোখে চোখ রেখে দাঁড়াতে। ধান এবং মান রক্ষার সংগ্রামের সেই সােনালী অতীতকে বিস্মৃত হয়েছে আমাদের বর্তমান। উপেক্ষার কালাে মেয়ে ঢাকা পড়ে গেছে। অর্ধেক আকাশের অনেক উজ্জ্বল তারা। তাঁদেরই পঞ্চাশ জনকে পুনঃপ্রকাশের আলোয় আনার চেষ্টা করেছে এই গ্রন্থ।