স্বনামধন্য আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক মোহিত রায়ের নদীয়া বিষয়ক বইগুলো নদিয়ার ইতিহাস চর্চায় খুবই গুরুত্ত্বপূর্ণ সংযোজন। এই বইটিতে লেখক পুরোনো চিঠি, অঙ্গীকারপত্র, দলিল দস্তাবেজ থেকে প্রাচীন নদিয়ার সমাজ জীবনকে চিত্রিত করার চেষ্টা করেছেন। এই ধরণের আঞ্চলিক ইতিহাসের বইগুলি রাজা রাজরার, মহাপুরুষদের অথবা কোনো বড় ঘটনার বর্ণনার বদলে তৃণমূল স্তরের মানুষের কথা বলে। এমন অনেক নামের উল্লেখ পাওয়া যায় বৃহত্তর ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ভাবে যাদের বিশেষ অবদান নেই। ইতিহাসের পাতায় তাঁরা কখনোই স্থান পাবেন না কিন্তু এই ধরণের প্রয়াস তাঁদের জীবনকথা পুরোপুরি মুছে যেতে দে না।
মোহিত রায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মোহিত রায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শনিবার, ১২ আগস্ট, ২০২৩
শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
নদীয়া স্থাননাম - মোহিত রায়
“বাংলার স্থাননামে যেমন যেমন বৈচিত্র্য আছে এমন আর কোন ভাষার এলাকায় দেখা যায় না’–একথা লিখেছেন মনীষী ভাষাবিদ, ড: সুকুমার সেন তাঁর 'বাংলা স্হাননাম' আকরগ্রহে। নদীয়া জেলার ক্ষেত্রেও একথা বলা যায়। প্রাজ্ঞ সংস্কৃতি-বিজ্ঞানী বিনয় ঘোষের সঙ্গী হিসাবে লেখক ১৯৬০-৭০ সালে সমগ্র নদীয়া জেলা নিবিড়ভাবে পর্যটন করেন এবং নদীয়ার স্থাননাম সহ সামাজিক- সাংস্কৃতিক জনইতিহাসের নানা তথ্য সংগ্রহ করেন। ১৯৭০ সালে লেখক এই গ্রন্থ রচনায় হাত দেন। নদীয়া জেলায় সে সময়ের ১৪ টি থানার প্রতিটি ব্লক ও তার প্রতিটি মৌজা ও গ্রামে দীর্ঘ অনুসন্ধান করেন।
লেখকের সুদীর্ঘ ২৫ বছরের অনুসন্ধান ও ক্ষেত্রগবেষণার ফসল ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থ।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
-
উন্নয়ন, বিকাশ, বিকশিত দেশ। অর্থাৎ গতকাল যা ছিলাম আজ তার থেকে ভালো। এগিয়ে যাও। সরলরৈখিক ভাবে ভালো, আরো ভালোর দিকে এগোতে এগোতে ক্লান্ত হয়ে ...
-
এপার বাংলা ও ওপার বাংলার নানা কিংবদন্তি নিয়ে লেখা এক অসাধারণ গ্রন্থ। প্রতি কিংবদন্তির পেছনে লুকিয়ে থাকা গল্প গুলো সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয়ে...

