প্রকৃতি ও পরিবেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রকৃতি ও পরিবেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫

পরিমল আড্ডা - পরিমল ভট্টাচার্যের সাথে কথোপকথন

উন্নয়ন, বিকাশ, বিকশিত দেশ। অর্থাৎ গতকাল যা ছিলাম আজ তার থেকে ভালো। এগিয়ে যাও। সরলরৈখিক ভাবে ভালো, আরো ভালোর দিকে এগোতে এগোতে ক্লান্ত হয়ে হাঁপ নিতে দু দন্ড দাড়িয়ে হঠাৎ পিছনের দিকে তাকিয়ে দেখে অবাক হতে হয়। পদচিহ্ন সব মুছে গেছে। ফিরে যাওয়ার পথ গেছে হারিয়ে। এগিয়ে যাওয়ার রাস্তাই যখন একমাত্র রাস্তা তখন উন্নয়নে উন্মত্ত মানব জাতির সামনে প্রকট হয়েছিল অতিমারী।
আর এগোনো নয়, টিকে থাকার লড়াই। 
আমরা, যারা কলাটা মূলোটা সহজে আহরণ করতে পারি; অবিরাম শুষে নিতে নিতেও শোষিত হওয়ার দক্ষ অভিনয় করে যাই আরো উঁচুতলা থেকে অতিরিক্ত চাল, কলা আর দক্ষিণার আশায়, তারা অবকাশ পেয়ে ভাবতে বসেছিলাম।
এমন সময় আমার পরিচয় হয়েছিল পরিমল ভট্টাচার্যের লেখার সাথে। শুরু হয়েছিল এক মানস ভ্রমণ। ছোটনাগপুর মালভূমি থেকে দার্জিলিং পাহাড়। এক অখ্যাত দর্জি আর বাঙালি ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গী হয়ে সাংপো নদীর উৎস খুঁজতে খুঁজতে চেরনোবিল তেজস্ক্রিয় ভূমির পথ ধরে পৌঁছে গিয়েছিলাম আম, জাম, বট, পাকুড় আর পলিমাটির বাংলাদেশে। সে এমন এক দেশ উন্নয়ন যেখানে বেড়া দিতে পারেনি। চূর্ণী নদীর অববাহিকার ক্ষুদ্র এক জেলেপাড়া আর আসুভিত্স এর বধ্যভূমি যেখানে মিশে যায়। আলাদা আলাদা বই নয়। পরিমলবাবু যেন একই বইয়ের বিভিন্ন অধ্যায় লিখেছেন নানা নামে। আমরা চেষ্টা করেছিলাম সেই মহাগ্রন্থকে ছুঁতে।



মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই, ২০২৪

বাংলার ঔষধি গাছ -শঙ্কর মুখোপাধ্যায় (সম্পাদক )

সম্প্রতি বাংলার ভেষজ বা বনৌষধির ব্যবহার, সংরক্ষণ এবং চাষবাস নিয়ে ব্যাপক প্রচার এবং সম্প্রসারণ অভিযান চলছে। একদিকে হল বাংলার ভেষজকে বাঁচাতে হবে। অন্যদিকে হল প্রাকৃতিক ভেষজশালা থেকে পরীক্ষিত ভেষজগুলিকে বাছাই করে, গ্রামবাংলার প্রাথমিক স্বাস্থ্যরক্ষা পদ্ধতিতে যুক্ত করতে হবে। প্রথম দিকটির উদ্যোগ, আয়োজন সম্প্রসারণে কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তার প্রাচুর্য রয়েছে। রাজ্যগুলিও উন্মুখ। তবে দ্বিতীয়টি এখনও উপেক্ষিত। সবই ভাসাভাসা। কোন্ গাছ কী কাজে লাগবে, তা না হয় বোঝা গেল। প্রথম প্রশ্ন প্রয়োগবিধি কী, দ্বিতীয় প্রশ্ন গাছটি কোথায় পাব? তৃতীয় প্রশ্ন গাছটি কি আমাদের আঙ্গিনায় হতে পারে? এই সব প্রশ্নের বোঝা নিয়ে এই পুস্তিকা। তবে সবকটি নয়, মূলত প্রথমটি। দ্বিতীয় প্রশ্নটির জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ। ভবিষ্যতে পছন্দের গাছ তাঁরা পৌঁছে দেবেন গ্রামগঞ্জের মানুষের দুয়ারে। জানিয়ে দেবেন চাষপদ্ধতি। উদ্যোগ শুরু হয়ে গেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ ও রাজ্যের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং অপ্রচলিত বিভাগের যৌথ প্রকল্পে।

রাষ্ট্রপুঞ্জের স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) হিসাব কষে দেখেছেন পৃথিবীর শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ তাদের স্বাস্থ্যরক্ষায় প্রকৃতি নির্ভর। এদের বিশ্বাস প্রাকৃতিক ভেষজশালা থেকে সঠিক ভেষজ বা ভেষজসমষ্টি সংগ্রহ করে উপসর্গভিত্তিক রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে ওদের প্রয়োগে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে। এই ভিত্তি গড়ে উঠেছে প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে। সাধারণভাবে এই ভিত্তিটি সীমাবদ্ধ ছিল বিশিষ্ট পরিবারের গণ্ডীর মধ্যে। কোথাও কবিরাজ, কোথাও বদ্যি, কোথাও বা হাকিম। সময়ের বিবর্তনে এই ভিত্তিতে ভাঙ্গন ধরেছে। চর্চার অভাব, কুসংস্কারের অন্তর্ভুক্তি, যথার্থ ভেষজের বিলুপ্তি ইত্যাদিতে স্বাস্থ্যে লৌকিক প্রযুক্তিটি বিপন্ন। অথচ এই প্রযুক্তিই হল গ্রামবাংলার তথা বিশ্ব-গ্রামের দারিদ্র্য সীমার কাছাকাছি বা নীচে পড়ে থাকা মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যরক্ষার একমাত্র কবচ। পৃথিবীর জ্ঞানীগুণীরা বক্তৃতা প্রসঙ্গে এই কবচের কথা বললেও কোনও দেশই এই কবচটিকে বিজ্ঞানে শোধন করে লৌকিক স্বাস্থ্যবিধিতে যুক্ত করার উদ্যোগ গড়ে ভুলতে পারে নি।


শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪

গ্রাম-গঞ্জের গাছগাছড়া - ড. রবীন্দ্রনাথ সর

প্রাণময় পৃথিবীতে মানুষের আগেই এসেছে নানা ধরনের গাছপালা। এই গাছগাছড়া থেকে আদিমকাল থেকে মানুষ খাদ্য, বস্ত্র, ঔষধ, বাসস্থানের উপকরণ সমূহ সংগ্রহ করেই চলেছে। গাছের স্নিগ্ধ-সুশীতল ছায়া যেমন পাই, তেমনি পাই নৈসর্গিক আনন্দও। গাছপালাকে ঘিরে বহু কাব্য কাহিনি ও রচিত হয়েছে। হাজার হাজার প্রজাতির গাছপালার গঠন-প্রকৃতি, বংশবিস্তার পদ্ধতি, বাসস্থান, জীবনযাপন প্রক্রিয়া কতই না বিস্ময়কর, কত বৈচিত্র্যময়। এর কতটুকুই বা আমাদের জানা।

আলোচ্য বইটিতে গ্রাম-গঞ্জে পাওয়া যায় এমন ছোট বড় কয়েকটি গাছের কথা আলোচনা করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। এদের স্থানীয় নাম, আকার-আকৃতি, পাতা-ফুল-ফল বীজের কথা; বিন্যাস, বিস্তার ও বাসস্থান সম্বন্ধে যেমন কিছু জানা যাবে, তেমনি জানা যাবে এই সব উদ্ভিদের রাসায়নিক উপাদান ও ভেষজগুণের কথাও। বইটি বিভিন্ন স্তরের ছাত্র-ছাত্রী, সাধারণ মানুষ ও প্রকৃতিপ্রেমীদের অবশ্যপাঠ্য।


শনিবার, ৮ জুলাই, ২০২৩

গ্রামবাংলার বন্য জন্তু (স্তন্যপায়ী ) - শীলাঞ্জন ভট্টাচার্য্য

জীব পরিমন্ডলে স্তন্যপায়ী প্রাণীরা খুব গুরুত্বপূর্ণ যেখানে মানুষ সবচেয়ে উপরের ধাপে অবস্থান করছে। বিভিন্ন বন্য স্তন্যপায়ী গ্রাম্যবাস্তুতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যদিও এদের অনেকেই জঙ্গলের বাসিন্দা ।

গ্রামগঞ্জের চিরস্থায়ী উন্নয়নের জন্য এইসমস্ত বন্যপ্রাণীদের পুঙ্খানুপুঙ্খ জ্ঞান আহরণ খুবই প্রয়োজনীয় । তাই জীবপরিমন্ডলের বিভিন্ন জীবের উপর মেঠো বই প্রকাশের বিশেষ উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গ জীববৈচিত্র্য পর্ষদ গ্রহণ করেছে। বর্তমান প্রকাশনার মূল উদ্দেশ্য ছাত্রছাত্রীসহ সমস্ত মানুষ যাতে এই বইটিকে ব্যবহার করে খুব সহজে গ্রামবাংলার বিভিন্ন স্তন্যপায়ীকে চিনতে পারেন । তাছাড়া জন জীববৈচিত্র্য নথি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষনের কাজে এই বই বিশেষ ভূমিকা নিতে পারে ।


শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২

বাংলার মাকড়সা - গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য

আমাদের বাংলাদেশে এক ইঞ্চির প্রায় পঁচিশ ভাগের এক ভাগ থেকে চার-পাঁচ ইঞ্চি পর্যন্ত বিভিন্ন আকারের অসংখ্য রকমারি মাকড়সা দেখতে পাওয়া যায়।  আমরা অনেকেই জাল-বােনা মাকড়সার সঙ্গে বিশেষভাবে পরিচিত। কিন্তু সব রকমের মাকড়সাই জাল বােনে না। যারা জাল বােনে একমাত্র তাদের রকমারি অবাক করার মতো। কেউ জাল বােনে খাড়াভাবে, কেউ বােনে শয়ানভাবে। কারাে জাল তেকোনা, কারাে জাল বহুকোণী । কারাে জাল তাবুর মতাে, আবার কারাে জাল পাতলা কাগজের মতাে সমতল। বিভিন্ন জাতের মাকড়সার জাল বােনার কৌশল এবং কারুকার্যও বিচিত্র রকমের। 


শ্ৰীযুক্ত গােপালচন্দ্র ভট্টাচাৰ্য্য কেবলমাত্র যে কৃতী বৈজ্ঞানিক তা নন, বাংলাদেশের বিজ্ঞান সাহিত্যের ক্ষেত্রে তিনি একজন সুপরিচিত লেখক।

বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২২

দুই বাংলার হাতি : কিছু ভাবনা : শান্তনু ঘোষ

পশ্চিমবঙ্গের দুটি অঞ্চল - উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে হাতি অধ্যুষিত অঞ্চলে খাবার কমে আসছে। হাতি বেরিয়ে পড়ছে লোকালয়ে।  মানুষের ক্ষেত খামারে ভাঁড়ারে। সংঘর্ষ এখন নিত্যদিন। দুই বাংলার হাতি সমস্যার কারণ কিছুটা হলেও ভিন্ন। সমাধান তাই খুঁজতে হবে আলাদা রাস্তায়। এই বইয়ে তারই খোঁজ - হাতি বিশেষজ্ঞ শান্তনু ঘোষের লেখনীতে।