কলকাতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কলকাতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৪

কলকাতার প্রতিবেশী - পীযূষ কান্তি রায়

তিলোত্তমা কলকাতা। বিচিত্র তার ইতিহাস। ভারতবর্ষে বলতে গেলে, ইংরেজ শাসনের শুরু এ বন্দর নগরীর পথ ধরে যার আধুনিক পর্বের ভিত্তি স্থাপন করে ছিলেন জোব চার্নক। তারপর থেকে এখানে এসেছে নানা বিদেশী জাতি রুটি-রুজি ও স্ব স্ব ধর্ম পালনের অলিখিত অধিকারে। তাদের অনেকে বিদায় নিয়েছে ভারতবর্ষ স্বাধীনতা লাভ করার পরে পরেই। কলকাতা যখন বন্দর নগরীর মর্যাদা পায় নি, তখনও তার মর্যাদা ছিল। শিখ ধর্মের প্রবর্ত্তক গুরু নানকদেব সেই ১৫১০ খৃঃ এ গ্রামে এসে ছিলেন। নবমগুরু ত্যাগবাহাদুরও এসেছিলেন এখানে । গবেষকের দৃষ্টিতে কলকাতার এসব প্রতিবেশীদের কাহিনী।


শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সমকালীনদের চোখে কলকাতার ঘটনাবলী - সংকলন ও সম্পাদনা শংকর রুদ্র

অতীত অবশ্যই কথা বলে, ভবিষ্যতের মতো মৌন-মূক নয়। অতীতের বুকে জমা থাকে অনেক কথা—অনেক দিনের কথা। আশ্চর্য সে সব কথা বিস্মৃতির অন্তরালে চির গোপন থেকে যায়, যদি না অতীতকেই বাঙময় করে তোলা যায়। আর তার জন্য অতীতের কাছেই সাধ্য-সাধনা করতে হয় ।

এই পৃথিবীর সব বস্তুরই অতীত আছে। প্রকৃতির আছে—মানুষের আছে —মানুষের সৃষ্ট সব বস্তুর আছে। সেই মতো মানুষের গ্রাম-জনপদ শহর সবেরই আপন-আপন অতীত আছে। এই অতীত কাহিনী গাথা ইতিহাসের মতোই বহু ঘটনায় সমৃদ্ধ। সবিস্তারে তা বিধৃত হয়েছে ভাষায় সাহিত্যে রচনায়। তারই মধ্যে পৃথিবীর অতীতকে আমরা পর্যবেক্ষণ করতে পারি। তেমনি আমরা আমাদের এই প্রিয় শহর কলকাতার অতীত –কলকাতার ইতিহাসও চোখের নজরে দেখতে পাই।

কিন্তু সেই অতীত গবেষক ঐতিহাসিকের দৃষ্টিতে যতই দেখি না কেন তার মধ্যে কোথায় যেন এক অপূর্ণতা রয়ে যায়। এই অপূর্ণতা ঘুচে যায় সম সাময়িকদের রচনায় অতীত দর্শনে। কারণ সমসাময়িকদের দৃষ্টিতে নিজ নিজ কাল কখনো মিথ্যা প্রতিপন্ন হয় না—সমকালের ঘটনা আদৌ অসত্য হয় না। হয়ত বর্ণনায় ইতর বিশেষ ঘটতে পারে— ভাবালুতার আধিক্যও ঘটতে পারে। হয়ত স্থান-কাল-পাত্রেরও কিছু ত্রুটি-বিচ্যূতি ঘটতে পারে। কিন্তু তাকে ব্যতিক্রম বলে গণ্য করা যায় না। বরং সমকালীনদের চোখে দেখা জগত-সংসার-কাল একটা বিশ্বাস যোগ্যতা অর্জন করে থাকে। এই বিশ্বাসযোগ্যতাকে কোনো প্রকারেই অস্বীকার করা যায় না।

শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৩

বৃহত্তর গড়িয়ার ইতিবৃত্ত - সুধাংশু মুখোপাধ্যায়

এই গ্রন্থে শ্রীমুখোপাধ্যায় গড়িয়ার প্রাচীন ইতিহাস, গড়িয়ার আশেপাশের অঞ্চল, আদিগঙ্গার গতিধারা, বনাঞ্চল আর জলাশয়, বোড়াল গ্রাম, বৈষ্ণবঘাটা, কামডহরি, ব্রহ্মপুর, বারহাঁস-ফরতাবাদ মৌজা ইত্যাদি সম্বন্ধে বিস্তৃত আলোচনা করেন। প্রসঙ্গত তিনি এই অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির কথাও উল্লেখ করেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন শ্রীচৈতন্যদেব এবং শ্রীঅরবিন্দের দাদু রাজনারায়ণ বসু। তাছাড়া এই অঞ্চলের জনবিন্যাস মানচিত্রে পরিবর্তন, গড়িয়া মেইন রোডের টালির নালার উপরে নির্মিত সেতু, যানবাহনের বিবর্তন, লবণ ও নীলচাষিদের অবস্থা সম্বন্ধেও মূল্যবান তথ্য লেখক সঙ্কলিত করেন। টোল-চতুষ্পাঠী থেকে আরম্ভ করে আধুনিক শিক্ষার প্রবর্তনের সময়কাল ও তার পরবর্তীকালে এই অঞ্চলের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজের ক্ষেত্রে ক্রমশ যে পরিবর্তন ঘটে তারও এক স্বচ্ছ ছবি লেখক এই গ্রন্থে তুলে ধরেন।

শনিবার, ১৫ জুলাই, ২০২৩

কালীকোটির ইতিকথা-অসিত দাস

কলকাতা নিয়ে বিভিন্ন বইয়ের মধ্যে চিকিৎসক অসিত দাসের লেখা এই বইটি আলাদা স্থান করে নেবে কারণ এতে কিছু ভিন্ন ভাবনার খোরাক রয়েছে। বইটির সূচিপত্র বেশ আকর্ষক।  তবে এই বইতে এমন কিছু প্রবন্ধও আছে যার সাথে কলকাতা ও তার ইতিহাসের কোনো যোগাযোগ নেই। তবে সেগুলিও যথেষ্ট তথ্যসমৃদ্ধ, আর পড়তেও মন্দ লাগেনা।  

শনিবার, ২৭ মে, ২০২৩

কলকাতার রাজকাহিনী-পূর্ণেন্দু পত্রী

যে কলকাতাকে আমরা অনেকদিন আগে পিছনে ফেলে এসেছি, তার ভিতর থেকে বেছে-নেওয়া ৬টি চরিত্রকে নিয়ে এই বই। এদের মধ্যে ৫ জন হলেন রাজা। আর একজন হলেন রাজকুমার। পূর্ণেন্দু পত্রীর কলমে ইতিহাসের বাসি গল্প হয়ে উঠেছে ফলের মতো তাজা। বাংলা শিশুসাহিত্যের অল্প যে ক'টি বইকে আমরা বলতে পারি—‘অপূর্ব”, এ-বই তাদের মধ্যে অন্যতম। 

শনিবার, ২০ মে, ২০২৩

কলকাতা তিন শতক-কৃষ্ণ ধর

কলকাতা শহর একদিনে গড়ে ওঠেনি । কোনো ব্যক্তিও এর গোড়াপত্তন করেনি । ইংরেজ বণিক জোব চার্নকের নামের সঙ্গে কলকাতার প্রতিষ্ঠার যে কাহিনী জড়িয়ে আছে তার ঐতিহাসিক সত্যতা এইটুকু যে ইংরেজরা কলকাতাকে বেছে নিয়েছিল তাদের কুঠির শহর বানাবার জন্য। ছিল গ্রাম। মানুষজনের বসতি ছিল কম । পশ্চিমে ভাগীরথী নদী, পুব দিকে বিস্তীর্ণ লবণহ্রদ । পর্তুগিজ, ডাচ ও ফরাসি বণিকরা এর আগেই হুগলি অঞ্চলে ব্যবসা বেশ জাঁকিয়ে বসেছিল। সপ্তদশ শতাব্দীতে ইংরেজদের সঙ্গে তাদের রেষারেষি ইয়োরোপ থেকেই শুরু। তার রেশ কলকাতা অঞ্চলেও বেশ তীব্রভাবেই ছড়িয়ে পড়েছিল ।

১৬০০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সৃষ্টি। ১৬৯০ সালের ২৪ আগস্ট কোম্পানির এজেন্ট জোব চার্নক তৃতীয়বারের মতো ভাগীরথীর তীরে সুতানুটি গ্রামে নৌকো নোঙর করে এ জায়গাটাকেই কুঠি বানাবার উপযুক্ত স্থান বলে বেছে নেন । সেই থেকে সুতানুটি, গোবিন্দপুর ও কলকাতা গ্রাম নিয়ে শুরু হয় শহরের পত্তন । কোম্পানির চিঠিপত্রে প্রথম পাওয়া যেত সুতানুটি নামের উল্লেখ ৷ পরে তা রূপান্তরিত হয় কলকাতায় । গোবিন্দপুর ও সুতানুটি নাম ধীরে ধীরে তলিয়ে যায় । বাণিজ্য শহর হিসেবে কৌলীন্য পায় কলকাতা ।


শনিবার, ১৩ মে, ২০২৩

কলিকাতার কাহিনী - সুকুমার সেন

পরিকল্পিত বারটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত এই গ্রন্থের একেকটি অধ্যায়ে চেনা কলকাতারই অচেনা চেহারাটাকে নানান দিক থেকে তুলে ধরেছেন সুকুমার সেন, আজও যাঁর সক্রিয় লেখনী ও সজাগ সন্ধিৎসা বিস্ময় জাগায়। এ-বইয়ের কোথাও বাংলা কবিতা-ছড়ায় ছড়ানো কলকাতার কথা, কোথাও কলকাতা-নামের উৎপত্তি-নির্দেশ । কোথাও নগর কলকাতার বিস্তার ও বিকাশের প্রসঙ্গ, কোথাও কলকাতার অবস্থান-নির্ণয় । কখনও বৈয়াকরণের দৃষ্টিতে তাকানো কলকাতার বিচিত্র স্থান-নামগুলির দিকে, কখনও উড-এর মানচিত্রে বিধৃত গঙ্গার ঘাটগুলির পরিচয় অন্বেষণ । কখনও শুনিয়েছেন কলকাতার বাড়িঘর পথঘাটের সঙ্গে মিশে থাকা অলৌকিক গল্পমালা, কখনও ঠক ও ঠাকুরদের (পুলিশ) কাহিনী । পুরনো কলকাতার পোশাকআশাক, খাবারদাবার, দোকানপাট, যানবাহন, মুখের বুলি—এসব নিয়ে যেমন বিস্তৃত আলোচনা এ-বইতে, তেমনি প্রথম ভারতীয় আকাশচারী রাম চাটুজ্জের কথাও । এছাড়াও থাকছে পুরনো কলকাতার ম্যাপ, ঠাকুরবাড়ি ও বাঙালী পরিবারের পোশাকের বেশ কিছু ছবি । বিষয়ের অভিনবত্বে, তথ্যের চমৎকারিত্বে ও বর্ণনার পটুত্বে, সন্দেহ নেই, কলকাতার তিন শো বছরে এক অমূল্য সংযোজন—সুকুমার সেনের এই 'কলিকাতার কাহিনী' ।


রবিবার, ৭ মে, ২০২৩

কি করে কলকাতা হলো- পূর্ণেন্দু পত্রী

পূর্ণেন্দু পত্রীর কলকাতা বিষয়ক বিখ্যাত ও বহুলপাঠ্য বইগুলোর অন্যতম এই বইটি। ইতিহাস নির্ভর, সুখপাঠ্য, নির্ভার। কলকাতার শুরুর কথাগুলিও বইটির মতোই চমকপ্রদ।


শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩

পলাশীর যুদ্ধ, পলাশীর পর বক্সার ও মানদণ্ড ছেড়ে রাজদণ্ড - তপনমোহন চট্টোপাধ্যায়

 তপনমোহন চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৬ ।


শিক্ষা : শান্তিনিকেতনের ব্রহ্মচর্যাশ্রমে । এখান থেকে প্রবেশিকা, প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বি. এ., কেমব্রিজ থেকে এম. এ. ও বিলাত থেকে ব্যারিস্টার হয়ে দেশে ফিরে কিছুদিন শান্তিনিকেতনের অধ্যাপক ছিলেন । ১৯৪০ সাল পর্যন্ত কলিকাতা হাইকোর্টে ব্যারিস্টারি করেন । পরে পিতার সলিসিটর ফার্মে যোগ দেন । দেশ স্বাধীন হওয়ার পর অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ জেনারেল এবং অফিসিয়াল ট্রাস্টি অব বেঙ্গল-এর কর্মভার (১৯৪০-৫০) গ্রহণ করেন। ১৯৫৮ সালে বিশ্বভারতীর উপাচার্য হন। এ ছাড়াও বিশ্বভারতীর সঙ্গে নানাভাবে যুক্ত ছিলেন। ভারতের ইতিহাসের প্রতি তাঁর প্রগাঢ় অনুরাগ ছিল। তাঁর বিখ্যাত ঐতিহাসিক গ্রন্থ ‘পলাশীর যুদ্ধ' ও ‘পলাশীর পর বক্সার’। মানদণ্ড ছেড়ে রাজদণ্ড এই সিরিজের তৃতীয় বই।  এই বইটি নবম অধ্যায় অবধি তাঁর রচনা কিন্তু তারপরে তার অকস্মাৎ মৃত্যুর জন্য শেষ তথা দশম অধ্যায় লিখেছেন আরেক বিখ্যাত ঐতিহাসিক প্রতুল চন্দ্র গুপ্ত। 

তিনটি বইয়েরই বর্তমান প্রকাশক দে'জ পাবলিশিং। এছাড়াও তপনমোহন চট্টোপাধ্যায়ের রচনাসমগ্র প্রকাশিত হয় দে'জ থেকেই।  

পলাশীর যুদ্ধ ও পলাশীর পর বক্সার বই দুটি অনেকদিন ধরেই ডিজিটাল লাইব্রেরি অব ইন্ডিয়ার আর্কাইভে পাওয়া যায়।  শেষ গ্রন্থটির কোনো ডিজিটাল সংস্করণ ছিলোনা তাই সেটি স্ক্যান, এডিট করে পিডিএফ তৈরী করা হলো। 




শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

কলকাতার সংগ্রহালয় - গোপী দে সরকার

কলকাতার সমস্ত মিউজিয়াম বা সংগ্রহশালাগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দু-মলাটের মধ্যে ধরার লক্ষ্যে দীর্ঘ প্রায় দু'বছর ধরে কলকাতা পুরশ্রী-র পাতায় লিখেছিলেন গোপী দে সরকার। পরিশ্রমসাধ্য এই কাজ নিঃসন্দেহে কলকাতাপ্রেমীদের কাছে উপহার স্বরূপ।

সঙ্গে লেখক-শিল্পীর নিজের আঁকা প্রচ্ছদ ও প্রতিটি সংগ্রহালয়ের লাইন ড্রইং। প্রতিটি সংগ্রহালয়ের যোগাযোগের ঠিকানা সমন্বিত ইতিহাস এবং কি কি দর্শনীয় বস্তু আছে তার বিবরণ বইটিকে অনন্য করে তুলেছে, হয়ে উঠেছে কাজের বই।

কলকাতার অতীতকে জানার পক্ষে কলকাতার অতীতের সাক্ষ্য প্রমাণের নথী রাখা আছে এইসব সংগ্রহালয়ে।



শনিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩

পালকি থেকে পাতাল রেল-সন্তোষ চট্টোপাধ্যায়

কলকাতার পরিবহনের চরিত্র ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এই বইতে। সে ইতিহাস যেমন মজার তেমনই শিক্ষণীয়ও বটে। ধীরে ধীরে কলকাতা যেমন হাঁটি হাঁটি পা পা করতে করতে বেড়ে উঠেছে তারই সঙ্গে বদলে গেছে তার পরিবহনেরও চরিত্র। বদলেছে শহর , বদলেছে পথঘাট। 


রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৩

সে আর এক কলকাতা - ডঃ অতুল সুর

‘সে আর এক কলকাতা'র লোক একবার জুয়ায় ডুবে গিয়েছিল। সময়টা প্রথম মহাযুদ্ধের (১৯১৪-১৯১৮) দু-তিন বছর আগের কথা। জুয়াটার নাম “তুলার খেলা'।  সব দোকানের সামনে ঝুলছে একখানা সাইনবোর্ড — মাপে এক হাত চওড়া ও দু হাত খাড়াই। বোর্ডটির মাথায় লেখা 'আমেরিকান কটন ফিগার'। আর তার নিচে দশটা লাইন, প্রত্যেক লাইনের গোড়ায় লেখা আছে যথাক্রমে ওয়ান, টু, থ্রি ইত্যাদি -এক থেকে দশ পর্যন্ত সংখ্যা।

আজ যদি কেউ কোন সংখ্যায় এক আনা পয়সা লাগায় আর সামনে কাল যদি সেই সংখ্যা ওঠে, তা হলে সে কাল আট আনা পয়সা পেত। পয়সা লাগাবার সময় ওরা একটা রসিদ দিত, আর কাল ওই রসিদটা দেখালেই ওরা আট আনা পয়সা দিয়ে দিত।

রাতারাতি কলকাতা শহরে গজিয়ে উঠেছিল হাজার হাজার ‘তুলোর খেলার দোকান। খেলাটা শহরের লোককে এমনভাবে আকৃষ্ট করল যে সারা শহরে জুয়ার বন্যা বয়ে গেল। সে এক অদ্ভুত দৃশ্য। বাড়ির কর্তা খেলেন, গিন্নী খেলেন। বৌ খেলে, মেয়ে খেলে। ছেলে খেলে, জামাই খেলে। রাঁধুনী বামুন খেলে, ঝি-চাকর খেলে। মুটে খেলে, মজুর খেলে। দোকানদার খেলে, ব্যবসাপতি খেলে। এককথায় শহরের সকল শ্রেণী, সম্প্রদায় ও স্তরের লোকই ‘তুলোর খেলায় মত্ত হয়ে উঠল। এমন কী স্কুলের ছেলেরাও মারবেল গুলি নিয়ে ওই খেলা খেলতে শুরু করে দিল।

তুলোর খেলায় যে নম্বরটা উঠত, সেটা আমেরিকার নিউ আরলীস শহরের তুলোর ফাটকা-বাজারের দরের ভিত্তিতে নির্ধারিত হত। তুলোর খেলার যে বোর্ডগুলো দোকানের সামনে টাঙানো থাকত, তাতে এক থেকে দশ নম্বর ছাড়া আরো দু-তিনটি বহু-অঙ্ক-বিশিষ্ট সংখ্যা থাকত। সকলেরই ধান্ধা ছিল ওই সংখ্যাগুলি থেকে পরদিনের নম্বর আবিষ্কার করা।



সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২

কলকাতার কালীবাড়ি - অনীশ ঘোষ

সবাইকে শুভ দীপাবলির শুভেচ্ছা

বৃহত্তর কলকাতার বিভিন্ন কালীবাড়ি, তার ইতিহাস, প্রচলিত গল্প নিয়ে সাংবাদিক অনীশ ঘোষের লেখা অত্যন্ত সুখপাঠ্য বই। 



রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২

কলকাতা একাল ও সেকাল

কলকাতার বিখ্যাত স্থানগুলোর ঐতিহাসিক পরিচয়, পুরোনো ছবি আর রথীন মিত্রের অসাধারণ স্কেচ সমৃদ্ধ সংগ্রহযোগ্য কলকাতা বিষয়ক বাংলা বই।