শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

সমকালীনদের চোখে কলকাতার ঘটনাবলী - সংকলন ও সম্পাদনা শংকর রুদ্র

অতীত অবশ্যই কথা বলে, ভবিষ্যতের মতো মৌন-মূক নয়। অতীতের বুকে জমা থাকে অনেক কথা—অনেক দিনের কথা। আশ্চর্য সে সব কথা বিস্মৃতির অন্তরালে চির গোপন থেকে যায়, যদি না অতীতকেই বাঙময় করে তোলা যায়। আর তার জন্য অতীতের কাছেই সাধ্য-সাধনা করতে হয় ।

এই পৃথিবীর সব বস্তুরই অতীত আছে। প্রকৃতির আছে—মানুষের আছে —মানুষের সৃষ্ট সব বস্তুর আছে। সেই মতো মানুষের গ্রাম-জনপদ শহর সবেরই আপন-আপন অতীত আছে। এই অতীত কাহিনী গাথা ইতিহাসের মতোই বহু ঘটনায় সমৃদ্ধ। সবিস্তারে তা বিধৃত হয়েছে ভাষায় সাহিত্যে রচনায়। তারই মধ্যে পৃথিবীর অতীতকে আমরা পর্যবেক্ষণ করতে পারি। তেমনি আমরা আমাদের এই প্রিয় শহর কলকাতার অতীত –কলকাতার ইতিহাসও চোখের নজরে দেখতে পাই।

কিন্তু সেই অতীত গবেষক ঐতিহাসিকের দৃষ্টিতে যতই দেখি না কেন তার মধ্যে কোথায় যেন এক অপূর্ণতা রয়ে যায়। এই অপূর্ণতা ঘুচে যায় সম সাময়িকদের রচনায় অতীত দর্শনে। কারণ সমসাময়িকদের দৃষ্টিতে নিজ নিজ কাল কখনো মিথ্যা প্রতিপন্ন হয় না—সমকালের ঘটনা আদৌ অসত্য হয় না। হয়ত বর্ণনায় ইতর বিশেষ ঘটতে পারে— ভাবালুতার আধিক্যও ঘটতে পারে। হয়ত স্থান-কাল-পাত্রেরও কিছু ত্রুটি-বিচ্যূতি ঘটতে পারে। কিন্তু তাকে ব্যতিক্রম বলে গণ্য করা যায় না। বরং সমকালীনদের চোখে দেখা জগত-সংসার-কাল একটা বিশ্বাস যোগ্যতা অর্জন করে থাকে। এই বিশ্বাসযোগ্যতাকে কোনো প্রকারেই অস্বীকার করা যায় না।



৯৩ পাতা 
ফাইল সাইজ:  ৬.৫ এম. বি.
হার্ডকপি, স্ক্যান, এডিট : DSR 


কলকাতা ও তার ঘটনাবলী নিয়ে প্রতক্ষ্যদর্শীদের বিবরণ সহ তথ্যসমৃদ্ধ এই বইটি প্রকাশ করে আনন্দ প্রকাশন।  প্রকাশকের ঠিকানা নিচে দেওয়া হলো।  আগ্রহীরা অবশ্যই সংগ্রহ করুন।




 



পি.ডি.এফ কখনোই একটি বইয়ের হার্ডকপির সমতুল্য হতে পারেনা। তাই সুযোগ থাকলে অবশ্যই বইটির হার্ডকপি কিনে পড়ুন। আলীসাহেব বলে গেছেন - বই কিনে কেউ কখনো দেউলিয়া হয়না।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন